Agreement,Convention,Treaty এই তিনটি শব্দের মধ্যকার পার্থক্য জানতে চাই।
(একটু ডিটেইলে বললে ভালো হত)
========================================
Convention
=========
কনভেনশন বলতে বুঝায় এমন একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি বা নীতিমালাকে যেখানে বিশ্বের বেশিরভাগ দেশের সরকারপ্রধানরা স্বাক্ষর করে থাকে।যার মধ্যে থাকে পৃথিবীর সকল মানুষের স্বার্থ(Universal Interest )এবং যার নীতিমালা পৃথিবীর সকল রাষ্ট্রের জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য।
আবার বলা যেতে পারে কনভেনশন হল এক ধরনের আন্তর্জাতিক চুক্তি আইন। অর্থাৎ চুক্তির সমার্থক পরিভাষা। সাধারণত বহুপাক্ষিক চুক্তির ক্ষেত্রে কনভেনশন শব্দটি ব্যবহৃত হয়। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মধ্যে বিশদ আলোচনা সমঝোতা বা দরকষাকষির পর একটি কনভেনশন আন্তর্জাতিক চুক্তির দলিল চূড়ান্ত হয়। উক্ত দলিলের খসড়া চূড়ান্ত হওয়ার পর দেশগুলো ভোটগ্রহণ করার অভিপ্রায় ব্যক্ত করে স্বাক্ষরের মাধ্যমে।অবশ্য চুক্তির সদস্য হওয়ার জন্য পরবর্তীতে নির্দিষ্ট সংখ্যক দেশকে আনুষ্ঠানিক উপায়ে অনুসমর্থন, অনুমোদন দান করতে হয় বা তার সাথে সংযুক্ত হতে হয়। কনভেনশন আইনগত ভাবে বাধ্যতামূলক।এতে বিবাদ মীমাংসা সহ বিধানসমূহ প্রতি পালনের পদ্ধতিও স্থির করা থাকে।কোন কোন ক্ষেত্রে চুক্তির কোন কোন বিশেষ বিধান সম্পর্কেও রিজার্ভেশন বা সংরক্ষণ জানানোর সুযোগ থাকে। সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দেশটি যে বিধান মেনে চলতে চায়না সেই বিধান মেনে চলার বাধ্যবাধকতা থেকে মুক্ত থাকতে পারবে। যেমন বাংলাদেশে CEDAW(Convention on the the Elimination of all forms Discrimination Against Women) এর চারটি ধারা প্রথমে অনুমোদন করেনি, সংরক্ষণ(Reservation) সহ অনুমোদন করেছে অবশ্য পরবর্তীতে দুটো ধারা থেকে সংরক্ষণ প্রত্যাহার করেছে।তবে সাম্প্রতিক কালে পরিবেশগত চুক্তিগুলোতে প্রায়ই কোনরূপ রিজার্ভেশনের সুযোগ রাখা হয়না। অনেক সময় কনভেনশনে অন্তর্ভুক্ত বিষয়টির মৌলিক নীতিমালাগুলো স্থির করা হয় এবং কনভেনশনের অধীনে প্রটোকল প্রণয়ন করে সেগুলো কার্যকর বাস্তবায়নের পদ্ধতি ঠিক করা হয়।এখানে উল্লেখ্য থাকে যে শুধুমাত্র কনভেনশনের সদস্যরাই প্রটোকল এর সদস্য হতে পারে। যেমন বাংলাদেশে ১৯৯২ সালে (UNFCCC— United Nations Framework Convention on Climate Change) স্বাক্ষর করে এ কারণে বাংলাদেশ কিয়োটো প্রটোকল এর সদস্য হতে পেরেছ। কনভেনশন প্রটোকলের কোন সংশোধনী হলে সেটিও পৃথকভাবে কনভেনশন প্রটোকল এর মতই স্বাক্ষরিত এবং অনুমোদিত হতে হয়।
Treaties
=======
Treaties/চুক্তি বলতে এমন সব চুক্তিকে বোঝায় যার আওতায় দুই বা ততোধিক রাষ্ট্র নিজেদের মধ্যে মধ্যে এক ধরনের আইনগত সম্পর্ক প্রতিষ্ঠায় আগ্রহী যেখানে প্রতিটি রাষ্ট্রই কিছু বাধ্যবাধকতার(Bindings) অধীন হয়।Convention on law of treaties-1969 অনুযায়ী
প্রায় সবক্ষেত্রে চুক্তিসমূহ লিখিত রূপে সম্পাদিত হয়।এক্ষেত্রে চুক্তির সংজ্ঞায় উহাকে সবসময় লিখিত দলিল হিসেবেই অভিহিত করেছে।চুক্তি রাষ্ট্রপ্রধান,সরকারপ্রধান,মন্ত্রীদের মধ্যে অথবা দুটো সংগঠনের মধ্যে সম্পাদিত হতে পারে। চুক্তিকে বোঝানোর জন্য বিভিন্ন ধরনের পরিভাষা যেমন কনভেনশন,প্রটোকল,এগ্রিমেন্ট,ডিক্লারেশন ইত্যাদি শব্দগুলো ব্যবহার করা হয়। চুক্তির সাধারণত দুই প্রকার ।
১) দ্বিপাক্ষিক চুক্তি
২) বহুপাক্ষিক চুক্তি
বহুপাক্ষিক চুক্তি আবার দুই ভাগে বিভক্ত
১) সর্বজনীন চুক্তি
২) আঞ্চলিক চুক্তি
সুতরাং আমরা বলতে পারি Treaties বলতে বোঝায় এমন চুক্তিকে যে চুক্তির মধ্যে থাকবে আইনগত বাধ্যবাধকতা।
Agreement
=========
এগ্রিমেন্ট বলতে বোঝায় এমন চুক্তিসমূহকে যখন চুক্তিসমূহ কিছুটা আনুষ্ঠানিক ভাবে উল্লেখ করা হয়।এগ্রিমেন্ট শব্দটি দ্বারা সাধারণত এ ধরনের চুক্তি কে বুঝানো হয়ে থাকে যা প্রকাশভঙ্গি দৃষ্টিকোণ থেকে তুলনামূলকভাবে আনুষ্ঠানিক, পরিধি দিক থেকে সীমিত যার সাথে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সংখ্যা কম
(একটু ডিটেইলে বললে ভালো হত)
========================================
Convention
=========
কনভেনশন বলতে বুঝায় এমন একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি বা নীতিমালাকে যেখানে বিশ্বের বেশিরভাগ দেশের সরকারপ্রধানরা স্বাক্ষর করে থাকে।যার মধ্যে থাকে পৃথিবীর সকল মানুষের স্বার্থ(Universal Interest )এবং যার নীতিমালা পৃথিবীর সকল রাষ্ট্রের জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য।
আবার বলা যেতে পারে কনভেনশন হল এক ধরনের আন্তর্জাতিক চুক্তি আইন। অর্থাৎ চুক্তির সমার্থক পরিভাষা। সাধারণত বহুপাক্ষিক চুক্তির ক্ষেত্রে কনভেনশন শব্দটি ব্যবহৃত হয়। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মধ্যে বিশদ আলোচনা সমঝোতা বা দরকষাকষির পর একটি কনভেনশন আন্তর্জাতিক চুক্তির দলিল চূড়ান্ত হয়। উক্ত দলিলের খসড়া চূড়ান্ত হওয়ার পর দেশগুলো ভোটগ্রহণ করার অভিপ্রায় ব্যক্ত করে স্বাক্ষরের মাধ্যমে।অবশ্য চুক্তির সদস্য হওয়ার জন্য পরবর্তীতে নির্দিষ্ট সংখ্যক দেশকে আনুষ্ঠানিক উপায়ে অনুসমর্থন, অনুমোদন দান করতে হয় বা তার সাথে সংযুক্ত হতে হয়। কনভেনশন আইনগত ভাবে বাধ্যতামূলক।এতে বিবাদ মীমাংসা সহ বিধানসমূহ প্রতি পালনের পদ্ধতিও স্থির করা থাকে।কোন কোন ক্ষেত্রে চুক্তির কোন কোন বিশেষ বিধান সম্পর্কেও রিজার্ভেশন বা সংরক্ষণ জানানোর সুযোগ থাকে। সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দেশটি যে বিধান মেনে চলতে চায়না সেই বিধান মেনে চলার বাধ্যবাধকতা থেকে মুক্ত থাকতে পারবে। যেমন বাংলাদেশে CEDAW(Convention on the the Elimination of all forms Discrimination Against Women) এর চারটি ধারা প্রথমে অনুমোদন করেনি, সংরক্ষণ(Reservation) সহ অনুমোদন করেছে অবশ্য পরবর্তীতে দুটো ধারা থেকে সংরক্ষণ প্রত্যাহার করেছে।তবে সাম্প্রতিক কালে পরিবেশগত চুক্তিগুলোতে প্রায়ই কোনরূপ রিজার্ভেশনের সুযোগ রাখা হয়না। অনেক সময় কনভেনশনে অন্তর্ভুক্ত বিষয়টির মৌলিক নীতিমালাগুলো স্থির করা হয় এবং কনভেনশনের অধীনে প্রটোকল প্রণয়ন করে সেগুলো কার্যকর বাস্তবায়নের পদ্ধতি ঠিক করা হয়।এখানে উল্লেখ্য থাকে যে শুধুমাত্র কনভেনশনের সদস্যরাই প্রটোকল এর সদস্য হতে পারে। যেমন বাংলাদেশে ১৯৯২ সালে (UNFCCC— United Nations Framework Convention on Climate Change) স্বাক্ষর করে এ কারণে বাংলাদেশ কিয়োটো প্রটোকল এর সদস্য হতে পেরেছ। কনভেনশন প্রটোকলের কোন সংশোধনী হলে সেটিও পৃথকভাবে কনভেনশন প্রটোকল এর মতই স্বাক্ষরিত এবং অনুমোদিত হতে হয়।
Treaties
=======
Treaties/চুক্তি বলতে এমন সব চুক্তিকে বোঝায় যার আওতায় দুই বা ততোধিক রাষ্ট্র নিজেদের মধ্যে মধ্যে এক ধরনের আইনগত সম্পর্ক প্রতিষ্ঠায় আগ্রহী যেখানে প্রতিটি রাষ্ট্রই কিছু বাধ্যবাধকতার(Bindings) অধীন হয়।Convention on law of treaties-1969 অনুযায়ী
প্রায় সবক্ষেত্রে চুক্তিসমূহ লিখিত রূপে সম্পাদিত হয়।এক্ষেত্রে চুক্তির সংজ্ঞায় উহাকে সবসময় লিখিত দলিল হিসেবেই অভিহিত করেছে।চুক্তি রাষ্ট্রপ্রধান,সরকারপ্রধান,মন্ত্রীদের মধ্যে অথবা দুটো সংগঠনের মধ্যে সম্পাদিত হতে পারে। চুক্তিকে বোঝানোর জন্য বিভিন্ন ধরনের পরিভাষা যেমন কনভেনশন,প্রটোকল,এগ্রিমেন্ট,ডিক্লারেশন ইত্যাদি শব্দগুলো ব্যবহার করা হয়। চুক্তির সাধারণত দুই প্রকার ।
১) দ্বিপাক্ষিক চুক্তি
২) বহুপাক্ষিক চুক্তি
বহুপাক্ষিক চুক্তি আবার দুই ভাগে বিভক্ত
১) সর্বজনীন চুক্তি
২) আঞ্চলিক চুক্তি
সুতরাং আমরা বলতে পারি Treaties বলতে বোঝায় এমন চুক্তিকে যে চুক্তির মধ্যে থাকবে আইনগত বাধ্যবাধকতা।
Agreement
=========
এগ্রিমেন্ট বলতে বোঝায় এমন চুক্তিসমূহকে যখন চুক্তিসমূহ কিছুটা আনুষ্ঠানিক ভাবে উল্লেখ করা হয়।এগ্রিমেন্ট শব্দটি দ্বারা সাধারণত এ ধরনের চুক্তি কে বুঝানো হয়ে থাকে যা প্রকাশভঙ্গি দৃষ্টিকোণ থেকে তুলনামূলকভাবে আনুষ্ঠানিক, পরিধি দিক থেকে সীমিত যার সাথে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সংখ্যা কম
মন্তব্যসমূহ